কেমন আছে দিলদারের পরিবার?

সিমেক ডেস্কঃ চলচ্চিত্রের পর্দায় দুঃখ ভুলানো মানুষ ছিলেন তিনি। ছবি দেখতে দেখতে কষ্ট-বেদনা বা ক্লান্তিতে মন যখন আচ্ছন্ন হয়ে যেতো তখনই তিনি হাজির হতেন হাসির ফোয়ারা ছড়িয়ে, পেটে খিল ধরিয়ে। বলছি, বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী কৌতুক অভিনেতা দিলদারের কথা। মৃত্যুর পর এই অভিনেতাকে আজও মিস করেন বাংলা ছবির দর্শক। ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এরপর দিলদার অভিনীত ছবিগুলো সিনেমা হলে কিংবা টেলিভিশনের পর্দায় যখনই প্রচার হয় দর্শকরা তাকে নিয়ে আফসোস করেন। দিলদার গেলেন, তার মতো কেউ আর...

চিরসবুজ নায়ক জাফর ইকবাল

সিমেক ডেস্কঃ বাংলা চলচ্চিত্রের স্টাইলিশ নায়কদের মধ্যে অন্যতম জাফর ইকবাল ছিলেন বোহেমিয়ান। জাফর ইকবাল চিরসবুজ নায়ক হিসেবে পরিচিত। শহুরে রোমান্টিক ও রাগী তরুণের ভূমিকায় দারুণ মানালেও সব ধরনের চরিত্রে ছিল তাঁর সহজ বিচরণ। অভিনয়ের পাশাপাশি বাস্তব জীবনে চমৎকার গান গাইতে পারা এ অভিনেতা বেশ কিছু ছবিতে গায়ক চরিত্রে অভিনয় করেছেন। চলচ্চিত্রে তাকে বলা হতো রাজপুত্তর, আবার কখনো কখনো রোমিও। তিনি একাধারে ছিলেন গায়ক, গিটারবাদক ও নায়ক। দুই যুগ হয়ে গেল বাংলা চলচ্চিত্রের এই ফ্যাশন আইকন চলে গেছেন। তবু কি ভীষন...

জোকস্!!

ডাক্তার ও রোগীঃ রোগীঃ ডাক্তার সাহেব আমাকে বাঁচান! ডাক্তারঃ  কী হয়েছে আপনার? রোগীঃ  আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি। রাতে খাটে ঘুমাতে গেলে মনে হয় খাটের নিচে কেউ বসে আছে। খাটের নিচে গেলে মনে হয় খাটের ওপর কেউ শুয়ে আছে। এভাবে ওপর-নিচ করে করে আমার রাত পেরিয়ে যায়। ডাক্তারঃ  হুম, বুঝতে পেরেছি। আপনি দুই মাস প্রতি সপ্তাহে তিন বার আমার চেম্বারে আসুন, আপনি ভাল হয়ে যাবেন। রোগীঃ ইয়ে মানে আপনার ভিজিট যেন কত? ডাক্তারঃ  ২০০ টাকা। (দুই সপ্তাহ পর রোগীর সংগে দেখা হলো ডাক্তারের।) ডাক্তারঃ কী হলো, আপনি যে...