নির্বাচনী বছর; ২০১৮ সাল

সিমেক ডেস্কঃ ২০১৮ সাল হতে চলেছে নির্বাচনী বছর। স্থানীয় থেকে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, সকল নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে এবং তার পাশাপাশি ভোটারদের নির্বাচনমুখী করতে সব পদক্ষেপ নেবে কমিশন। ২০১৮ সালের নির্বাচন শুরু হতে পারে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ- নির্বাচন দিয়ে। সদ্য প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূণ্য থাকা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন বাধ্যবাধকতা আগামী বছরের ফেব্রুয়ারীতেই। এর পর পরেই নির্বাচনের সম্ভাবনা খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী সিটি নির্বাচনের। চার সিটি নির্বাচন হয়েছিলো ২০১৩ সালের ১৫ জুন। ২০১৩ সালে ৬ জুলাই গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম ভোট। তাই কমিশন সিদ্ধান্ত নিলে ৫ সিটির নির্বাচন হতে পারে একই দিনে। কারণ রোড ম্যাপ অনুযায়ী আগামী বছরের জুন মাস থেকে জাতীয় নির্বাচনের নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, ২০১৮ সালে যে নির্বাচন হবে তাকে গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠ করতে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন করার সবচেয়ে বড় সময় নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে।

সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যার ভোট গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে বছরের শেষ দিকেই। এমন ইঙ্গিত রয়েছে সরকারি মহল থেকে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেবার পর বেশ কয়েটি উপ-নির্বাচন সহ ছোট-বড় প্রায় ২’শটি উপ-নির্বাচন আয়োজন করেছে। ৬ সিটি এবং জাতীয় নির্বাচনসহ ছোট বড় আরো কয়েকটি নির্বাচন নেবার জন্য অপেক্ষায় আছে এই বছর। সূত্র: নিউজ টুয়েন্টিফোর

SHARE